Showing posts with label Hadith. Show all posts
Showing posts with label Hadith. Show all posts

Thursday, July 26, 2012

English


Praying at Night in Ramadaan (Taraweeh) 

Volume 3, Book 32, Number 226: 
Narrated Abu Huraira: 

I heard Allah's Apostle saying regarding Ramadan, "Whoever prayed at night in it (the month of Ramadan) out of sincere Faith and hoping for a reward from Allah, then all his previous sins will be forgiven."

Bukhari

ইসলাম অন্যের অধিকার সংরক্ষণ করতে শেখায়

সাহল বিন সা’দ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট একটি পাত্র আনা হলো, তিনি তা থেকে পান করলেন। তাঁর ডান পার্শ্বে উপস্থিত লোকদের মধ্যে একজন অল্পবয়সী বালক ছিল। আর বয়স্ক লোকেরা ছিল তাঁর বাম দিকে। তখন তিনি বললেন: “হে বালক! তুমি কি আমাকে অনুমতি দিবে যে, অবশিষ্টটুকু বয়স্ক লোকদেরকে দেয়ার জন্য?” সে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার মুখ লাগানো পানীয় পান করার ব্যাপারে আমি নিজের চেয়ে অন্যকে অগ্রাধিকার দেব না। তখন তিনি বালকটিকে সে পানীয় দিলেন। [বুখারী: ২৩৫১]

Bukhari

শপথ ও আত্মহত্যাকারী প্রসঙ্গে


সাবেত বিন যাহ্হাক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত ভাবে ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের নামে মিথ্যা শপথ করল তাকে উক্ত ধর্মের লোক বলেই গণ্য করা হবে। আর যে ব্যক্তি কোন লোহার অস্ত্র দ্বারা আত্মহত্যা করল, তাকে সে অস্ত্র দিয়ে জাহান্নামে শাস্তি দেয়া হবে।” [বুখারী: ১৩৬৩]

Bukhari

কেয়ামতের পূর্বে ফেৎনা বৃষ্টি ফোটার ন্যায় প্রকাশিত হবে


عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: أَشْرَفَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى أُطُمٍ مِنْ آطَامِ الْمَدِينَةِ فَقَالَ هَلْ تَرَوْنَ مَا أَرَى قَالُوا لَا قَالَ فَإِنِّي لَأَرَى الْفِتَنَ تَقَعُ خِلَالَ بُيُوتِكُمْ كَوَقْعِ الْقَطْرِ . [رواه البخاري: 21/450 كباب الفتن, باب- قول النبي ويل للعرب]
ওসামা বিন যায়েদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা মদীনার টিলাসমূহের মধ্যে কোন একটি টিলার উপর আরোহন করে বললেন: আমি যা দেখছি, তোমরা কি তা দেখছো? (সাহাবাগণ) বললেন: না। তিনি বললেন: আমি তোমাদের ঘরসমূহে ফেৎনা বৃষ্টির ফোঁটার ন্যায় পতিত হতে দেখছি। [বুখারী: ২১/৪৫০, কিতাবুল ফিতান, বাব- কাওলুন নবী ওয়াইলুন লিল আরব।

Bukhari,Muslim

প্রত্যেককেই নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে


وعن ابن عمر رضي الله عنهما ، قَالَ : سمعت رَسُول الله، يقول: (( كُلُّكُمْ رَاعٍ ، وَكُلُّكُمْ مسْؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتهِ : الإمَامُ رَاعٍ وَمَسْؤولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ ، والرَّجُلُ رَاعٍ في أهْلِهِ وَمَسْؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ ، وَالمَرْأةُ رَاعِيَةٌ في بيْتِ زَوْجِهَا وَمَسْؤُولَةٌ عَنْ رَعِيَّتِهَا ، وَالخَادِمُ رَاعٍ في مَالِ سَيِّدِهِ وَمَسؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ ، فَكُلُّكُمْ رَاعٍ وَمَسْؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ )) مُتَّفَقٌ عَلَيهِ [رواه البخاري: 7/41 ( 5200 ) ، ومسلم 6/7 ( 1829 ) ( 20 )].
ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমার বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন:
“আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: তোমাদের প্রত্যেকেই রক্ষণাবেক্ষণকারী(বা দায়িত্বশীল) এবং তোমাদের প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পুরুষ তার পরিবার ও সংসারের জন্য দায়িত্বশীল এবং তাকে তার রক্ষণাবেক্ষণ ও দায়িত্বপালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। স্ত্রীলোক তার স্বামীর ঘরের রক্ষণাবেক্ষণকারিনী এবং তাকে সে সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। খাদেম তার মনিবের সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণকারী এবং তাকে তার সে দায়িত্বপালন সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। অতএব তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে।” [বুখারী: ৭/৪১(৫২০০) ও মুসলিম: ৬/৭(১৮২৯)]

Bukhari,Muslim


রাইয়্যান হতে আহ্বান: কোথায় রোযাদারগণ?

عن سهل ابن سعد رضي الله عنه. قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: “إن في الجنة بابا يقال له الريان. يدخل منه الصائمون يوم القيامة. لا يدخل معهم أحد غيرهم. يقال: أين الصائمون ؟ فيدخلون منه. فإذا دخل آخرهم. أغلق فلم يدخل منه أحد”. [رواه البخاري: 1797 ومسلم: 1152 والنسائي والترمذي]
সাহল বিন সা’দ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “জান্নাতের এক প্রবেশদ্বার রয়েছে যার নাম ‘রাইয়্যান’। কেয়ামতের দিন ঐ দ্বার দিয়ে রোযাদারগণ প্রবেশ করবে। তারা ছাড়া তাদের সাথে আর কেউই ঐ দ্বার দিয়ে প্রবেশ করবে না। বলা হবে: ‘কোথায় রোযাদারগণ?’ সুতরাং তারা ঐ দরজা দিয়ে (জান্নাতে) প্রবেশ করবে। অতঃপর যখন তাদের সর্বশেষ ব্যক্তি প্রবেশ করবে, তখন সে দ্বার রুদ্ধ করা হবে। ফলে সে দ্বার দিয়ে আর কেউই প্রবেশ করতে পারবে না।” [বুখারী: ১৮৯৬, মুসলিম: ১১৫২, নাসাঈ, তিরমিযী

Bukhari

বর্তমানের চেয়ে পরবর্তী দিনটি খারাপ হবে


        
   عَنْ الزُّبَيْرِ بْنِ عَدِيٍّ قَالَ أَتَيْنَا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ فَشَكَوْنَا إِلَيْهِ مَا نَلْقَى مِنْ الْحَجَّاجِ فَقَالَ اصْبِرُوا فَإِنَّهُ لَا يَأْتِي عَلَيْكُمْ زَمَانٌ إِلَّا الَّذِي بَعْدَهُ شَرٌّ  مِنْهُ حَتَّى تَلْقَوْا رَبَّكُمْ سَمِعْتُهُ مِنْ نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ [رواه البخاري: كبات الفتن, رقم الحديث من الشاملة (6541

যুবাইর বিন ‘আদী (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
আমরা আনাস বিন মালেক (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর নিকট এসে হাজীদের থেকে আমরা যে কষ্ট পাই সে ব্যাপারে আমরা অভিযোগ করলাম। তখন তিনি বললেন: ধৈর্য ধর, তোমাদের সামনে এমন এক সময় আসবে যার বর্তমান দিনের চেয়ে পরবর্তী দিনটি খারাপ হবে, আর এ অবস্থায়ই তোমরা আল্লাহর সাথে মিলিত হবে। আমি এ কথাটি তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট থেকে শুনেছি। [বুখারী: কিতাবুল ফিতান, বাব লাইয়াতি যামান ইল্লা আল্লাযী বা'দাহু সারুন মিনহু, মাকতাবাতুস শামেলাহ্ থেকে হাদীস নং- 6541]